তীব্র সেশন ১
চেক-ইন
(1 min)
সকল অংশগ্রহণকারী এবং সহায়তাকারীকে চেক-ইন করতে বলুন।
Or six.zume.training/checkin and use code: 1397
প্রার্থনা করুন
(5 min)
প্রার্থনা দিয়ে শুরু করুন। পবিত্র আত্মা ছাড়া আধ্যাত্মিক অন্তর্দৃষ্টি এবং রূপান্তর সম্ভব নয়। এই অধিবেশনে আপনাকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য তাঁকে আমন্ত্রণ জানাতে দলবদ্ধভাবে সময় নিন।
পরিদর্শন
(1 min)
এই অধিবেশনে, আমরা এই ধারণাগুলি শুনব এবং আলোচনা করব:
এবং আমরা আমাদের টুলকিটে এই সরঞ্জামগুলি যুক্ত করব:
- ঈশ্বর সাধারণ মানুষদের ব্যবহার করেন
- শিষ্য এবং মণ্ডলীর সহজ সংজ্ঞা
- আত্মিক শ্বাসপ্রশ্বাস হল ঈশ্বরের কথা শোনা এবং বাধ্য হওয়া
- ভোক্তা এবং উৎপাদনকারীর জীবনধারা
- এস ও এ পি এস বাইবেল পড়া
- বাধ্যবাধকতা পালনের দায়িত্বের দলগুলি
- কীভাবে এক ঘণ্টা প্রার্থনায় কাটাবেন
- সম্বন্ধযুক্ত ধনাধ্যক্ষতা – ১০০ জনের তালিকা
READ
(5 min)
ঈশ্বর সাধারণ মানুষকে ব্যবহার করেন
জুমে ট্রেনিংয়ে স্বাগত.জুমে হলো গ্রিক শব্দ মানে ছত্রাক.
যিশু বলেছেন ঈশ্বরের রাজ্য হলো এক মহিলার মতন যিনি অল্প একটু "ছত্রাক" নিয়ে বিশাল পরিমাণ এক ময়দার ডেলার মধ্যে দিয়ে দেন.
এবং যখন উনি ময়দাতে ছত্রাক মেশান ওটা মিশতেই থাকে যতক্ষণ না সম্পূর্ণ ফুলে উঠছে.
যিশু আমাদের দেখিয়েছেন একজন সাধারণ মানুষ ছোট্ট একটা জিনিস নিয়েও বড় এবং কার্যকরী কিছু কাজ করতে পারেন!
আমাদের স্বপ্ন হলো যিশুর আদেশ পালন করা--সারা বিশ্বের সাধারণ মানুষকে ছোট কিছুর সাহায্যে পরমেশ্বরের রাজ্যে বড় কিছু করতে সাহায্য করা!
যিশুর অন্তিম আদেশ ওনার অনুমাগিদের কাছে খুবই সাধারণ ছিল. উনি বলেন--স্বর্গ এবং মর্তের সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব আমায় দেওয়া হয়েছে. তাই--তুমি গিয়া সমুদয় জাতীর মানুষকে শিষ্য বানাও, আর তাদের পিতা, পুত্র এবং পবিত্র আত্মার নামে, বাপ্তিস্ম দান করো. আমার আদেশ ওদের পালন করতে শেখাও আর আমি তোমার সঙ্গে সর্বদা থাকব- এমনকি এই যুগ শেষ অবধি.
যিশুর আদেশ খুবই সহজ ছিল--শিষ্য বানাও.
আর সেটা কিভাবে করবেন সেটার নিয়মাবলীও খুবই সহজ ছিল--যেখানে যাবে সেখানেই শিষ্য বানাও.
- শিষ্য বানাও, আর তাদের পিতা, পুত্র এবং পবিত্র আত্মার নামে, বাপ্তিস্ম দান করো.
- শিষ্য বানানো তাদেরকে আমার প্রতিটা আদেশ ভালোভাবে শিখিয়ে.
তাহলে শিষ্য বানাতে হলে কি কি করবেন?
- আমরা শিষ্য সবসময় বানাই- যেখানে যাই এবং যাওয়া মাত্রই.
- যখন কেউ যিশুর আদেশ পালন করার সিধান্ত নেয়- তার বাপ্তিস্ম নেওয়া উচিত.
- তাদের বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে - আমাদের শিষ্যদের শেখাতে হবে কিভাবে যিশুর আদেশ পালন করে চলতে হয়.
যেহেতু ওনার এক আদেশ ছিল শিষ্য বানাও, তার মানে প্রতিটা শিষ্য যিনি যিশুকে মানেন তার শিষ্য বানানোর কথাটাও মানতে হবে.
সেইসব শিষ্যদের আরো শিষ্য বানাতে হবে. এবং নতুন শিষ্যদের আরো শিষ্য বানাতে হবে.
শিষ্যের সংখ্যাবৃদ্ধি. এইভাবেই জুমে কাজ করে.
এটা ছত্রাকের মতন-ততক্ষণ ময়দা মাখতে থাকুন যতক্ষণ না ওটা ফুলে উঠছে.
যিশু যখন শিষ্য বানানোর আদেশ দেন, উনি তখন এক প্রতিশ্রুতিও দেন.
যিশু বলেন- আমি সবসময় তোমার সাথে থাকব. এই যুগের শেষ অবধি.
যিশুর প্রতিটা অনুগামীর এই প্রতিশ্রুতির ওপর ভরসা করা উচিত যে যিশু আমাদের সঙ্গে সবসময় আছেন. কারণ উনি সত্যি আছেন!
তবে এর আরেক মানে হলো যিশুর প্রতিটা অনুগামীকে এই বাস্তবটা মানতে হবে যে যিশু চান আমরা শিষ্য বানাই. কারণ উনিও এটাই চান.
যিশু বলেছেন- স্বর্গ এবং মর্তে আমায় আধিপত্য আছে. তাই যাও আমার অনুগামী বানাও.
আমাদের যখন যিশু পাঠান যেই অধিকার নিয়ে পাঠান সেটা হলো -ওনার অধিকার.
যিশু বলেছেন তার চেয়ে বেশি কর্তৃত্ব কারোর নেই. কোনো ঐতিয্যের এর বেশি ক্ষমতা নেই.
কোনো সংস্কৃতির এত ক্ষমতা নেই. পৃথিবীর কোনো আইনের এত ক্ষমতা নেই.
যিশু বলেছেন- যাও আমার শিষ্য বানাও.
আর জুমে হলো- ছত্রাকের মতন- আমরা এগিয়ে চলব এবং উন্নতি করব যতক্ষণ না কাজ সম্পূর্ণ হচ্ছে.
আলোচনা করুন
(10 min)
- যীশু যদি তাঁর অনুসারীদের প্রত্যেককে তাঁর মহান আদেশ মেনে চলতে চান, তাহলে কেন আসলে এত কম সংখ্যক শিষ্য তৈরি করে?
READ
(5 min)
শিষ্য এবং গির্জা
জুমে ট্রেনিংয়ে স্বাগত. আর জুমে হলো- ছত্রাকের মতন- আমরা এগিয়ে চলব এবং উন্নতি করব যতক্ষণ না কাজ সম্পূর্ণ হচ্ছে.
শিষ্য আসলে কি?আর কিভাবেই বা বানানো যায়?
কিভাবে যিশুর অনুগামিকে আপনি ওনার আদেশ পালন করতে শেখাবেন? কিভাবে একজন মানুষ যে সারাজীবন পৃথিবীর বন্দীদশায় কাটিয়েছে তাকে ঈশ্বরের রাজত্বে নাগরিক বানিয়ে তুলবেন?
শিষ্য শব্দের মানে হলো অনুগামী. তাহলে একজন শিষ্য হলো ঈশ্বরের অনুগামী. যিশু বলেছেন - স্বর্গ এবং মর্তে কর্তৃত্ব করার ক্ষমতা আমার আছে. তাই ঈশ্বরের রাজত্বে, যিশু হলেন রাজা. আমরা হলাম তার প্রজা, তার ইচ্ছে পালন করেই চলি. ওনার শখ, উদ্দেশ্য, অভিপ্রায়, দাবি এবং মূল্য হলো সবার ওপরে এবং সেরা. ওনার কথাই হলো আইন. তাহলে রাজত্বের নিয়মটা কি? যিশু নিজের প্রজাদের কি করতে বলেছেন?
যিশু বলেছেন-- ঈশ্বরকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসো, আত্মা দিয়ে ভালোবাসো, ধ্যান জ্ঞান বানিয়ে নাও এবং নিজের শক্তি বানাও তাকে. যিশু বলেছেন-- নিজের প্রতিবেশিকে নিজের মতন ভালোবাসো. যিশু বলেছেন পুরোনো নিয়মে ঈশ্বরের আদেশ ছিল--সব নিয়মকানন এবং সব প্রবক্তাকে -দুটো বিভাগে ভাগ করা যায়--ঈশ্বরকে ভালোবাসো এবং মানুষকে ভালোবাসো. যিশু বলেছেন - শিষ্য বানাও. যিশু বলেছেন - আমি যা আদেশ দিয়েছে তা ওদের পালন করতে শেখাও.
যেহেতু শিষ্য বানানোর কাজে আপনাকে যিশুর আদেশও তাকে শেখাতে হবে তাই--নতুন নিয়মে এক কথাতেই বোঝানো যাবে-- শিষ্য বানাও.
শিষ্য হলো যিশুর অনুগামী যে ঈশ্বরকে ভালবাসে, মানুষকে ভালবাসে এবং আরো শিষ্য বানায়.
তাহলে গির্জা কি?
আপনি হয়ত ভাবেন গির্জা মানে হলো একটা বিল্ডিং- একটা স্থান যেখানে আমরা যাই. কিন্তু ঈশ্বরের কাছে গির্জা হলো একত্রিত হওয়ার স্থান- নিজের মানুষদের সাথে.
বাইবেলে গির্জা শব্দটি তিন রকম ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে--
- সর্বজনীন গির্জা -- এতে প্রত্যেকটা মানুষ যারা ছিল আছে এবং আগামী দিনেও যিশুর অনুগামী থাকবে.
- শহুরে বা আঞ্চলিক গির্জা -- যেসব মানুষ যিশুর অনুগামী এবং যারা পৃথিবীর একটা প্রান্তে বাস করে.
- ঘরোয়া গির্জা -- যেসব মানুষ যিশুর অনুগামী এবং একত্রিত হয় যেখানে একাধিক মানুষ বাস করে.
এক আধ্যাত্মিক পরিবার- যিশুর অনুগামী যারা ঈশ্বরকে ভালবাসে, মানুষকে ভালবাসে এবং শিষ্য বানায় এবং যারা একসঙ্গে স্থানীয় একজায়গায় একত্রিত হয় এই শেষ রকমের গির্জা বানাতে- ঘরোয়া গির্জা বা সাধারণ গির্জা.
যখন এরকম ছোট ছোট গির্জা একত্রিত হয়ে বড় কিছু বানায়, একসঙ্গে, তখনই কোনো শহুরে বা আঞ্চলিক গির্জা স্থাপন হয়.
এইসব ছোট ছোট গির্জা একই এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় গড়ে ওঠে এবং বাড়তে বাড়তে সর্বজনীন গির্জার রূপ নেয়.
এবং সেই চার্চের উচ্চারণ হয় বড় হাতের সি দিয়ে.
সাধারণ গির্জা হলো আধ্যাত্মিক পরিবার যাদের কেন্দ্রবিন্দু হলো যিশু তাদের রাজা. সাধারণ গির্জা হলো আধ্যাত্মিক পরিবার যারা ঈশ্বরকে ভালবাসে, অন্যকে ভালবাসে এবং শিষ্য বানিয়ে সংখ্যাবৃদ্ধি করে. কিছু গির্জা বড় বড় বিল্ডিং, প্রোগ্রাম, আর্থিক ব্যবস্থা এবং কর্মী থাকে. কিন্তু সাধারণ গির্জার এসব জিনিসের প্রয়োজন পরেনা ঈশ্বরকে ভালবাসার জন্য, বা অন্যকে ভালবাসতে বা শিষ্যের সংখ্যা বাড়াতে. আর যেহেতু এর চেয়ে বেশি কিছু গির্জাকে জটিল করে তোলে এবং সংখ্যা বাড়াতেও অসুবিধে হয়, তাই আমাদের ট্রেনিং বিল্ডিং, প্রোগ্রাম, আর্থিক ব্যবস্থা এবং কর্মীর ভার ছেড়ে দেয় শহুরে বা আঞ্চলিক গির্জার ওপর যা একাধিক সাধারণ গির্জা জুড়ে স্থাপন হয়েছে.
মনে রাখবেন জুমে মানে হলো ছত্রাক--একটা সহজ, এক কোষের প্রাণী যারা দ্রুত বংশবৃদ্ধি ঘটায়.
জুমে ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে- আমরা সেরকম ছত্রাক হয়ে উঠব- সহজ এবং সংখ্যাবৃদ্ধি করা. কিন্তু সংখ্যাবৃদ্ধি করার আগে - আমাদের জেনে নেওয়া উচিত যে ঈশ্বর কি পুনরুত্পাদন করতে চান. তবে সংখ্যাবৃদ্ধি ভালো হলেও-সবসময় ভালো হয়না. ক্যান্সার বেড়ে চলেছে. এবং এটা মারাত্মক. তাহলে কিভাবে আমরা মৃত্যু না জীবনের উত্পাদন করব? আর কিভাবে আমরা নিশ্চিত হব যে আমরা শিষ্য বানাচ্ছি এবং সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটাচ্ছি?
আলোচনা করুন
(10 min)
- যখন আপনি একটি গির্জার কথা ভাবেন, তখন কী মনে আসে?
- এই ছবিটি এবং ভিডিওতে "সরল গির্জা" হিসাবে যা বর্ণনা করা হয়েছে তার মধ্যে পার্থক্য কী?
- আপনার মনে কোনটি সংখ্যাবৃদ্ধি করা সহজ হবে এবং কেন?
READ
(5 min)
ঈশ্বরের কথা শোনা এবং তার কথা মেনে চলা
জুমে ট্রেনিংয়ে আবার আপনাদের স্বাগত. এই অধ্যায়ে, আমরা কথা বলব ঈশ্বরের আদেশ নিয়ে এবং সেটা পালন করব কি করে.
নিঃশ্বাস নেওয়াটাই জীবন. আমরা শ্বাস নি. শ্বাস ছাড়ি.জীবন.
শ্বাস নেওয়াটাই একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঈশ্বরের রাজত্বে. সত্যি বলতে, ঈশ্বর নিজের আত্মাদের ডাকেন- "শ্বাস বলে."
ওনার রাজত্বে, আমরা শ্বাস নি এবং ঈশ্বরের বাণী শুনতে পাই. আমরা শ্বাস নি যখন ঈশ্বরের নিজ ভাষায় আমরা বাইবেলের কথা শুনতে পাই. আমরা শ্বাস নি যখন প্রার্থনার মাধ্যমে ঈশ্বরের বাণী শুনতে পাই- ওনার সাথে কথাবার্তার মধ্যে. আমরা শ্বাস নি যখন ঈশ্বরের বাণী শুনতে পাই ওনার নিজের সত্ত্বা থেকে- গির্জা, এবং যিশুর অনুগামীদের থেকে. আমরা শ্বাস নি যখন ঈশ্বরের কাজের মধ্যে দিয়ে তাকে শুনতে পাই- অনুষ্ঠান, অভিজ্ঞতা এবং কখনো কখনো হত্যা এবং কষ্টের মধ্যেও. উনি নিজের সন্তানদের এর মধ্যে দিয়ে যেতে দেন.
ওনার রাজ্যে আমরা শ্বাস ছাড়ি যখন আমরা ওনার বাণী মত কাজ করি. নিঃশ্বাস ছাড়ি যখন ওনার আদেশ পালন করি.
কখনো কখনো নিঃশ্বাস ছেড়ে আদেশ পালন করার মানে হলো মতামত অদলবদল করা, আমাদের কথা বা আমাদের কাজের মাধ্যমে এমনকিছু করা যাতে যিশুর ইচ্ছে পূরণ হতে পারে.
কখনো কখনো নিঃশ্বাস ছেড়ে আদেশ পালন করার মানে হলো যিশু আমাদের সঙ্গে কি ভাগ করেছেন- উনি যা দিয়েছেন সেটাই অন্যকে দেওয়া - যাতে অন্যরাও ঈশ্বরের আশির্বাদ পেতে পারে যেমন ভাবে আমরা পাচ্ছি.
যিশুর অনুগামী হিসেবে-এই নিঃশ্বাস নেওয়ার এবং ছাড়াটা খুব জরুরি. এটাই হলো আমাদের জীবন. যিশু বলেছেন- পুত্র একা কিছুই করতে পারেনা. ও সেটাই করে যা ও পিতাকে করতে দেখে. পিতা যা করে, পুত্রও তাই করে.
যিশু বলেছেন- আমি নিজের অধিকারে কথা বলি না. আমায় যে পিতা পাঠিয়েছেন উনি বলে দিয়েছেন কি বলতে হবে আর সেটা কিভাবে বলতে হবে.
যিশু বলেছেন যে প্রতিটা শব্দ উনি বলেছেন এবং প্রতিটা কাজ যা উনি করেছেন তা ঈশ্বরের কথা শুনেই করেছেন এবং শুধুমাত্র তার আদেশ পালন করেছেন.
নিঃশ্বাস নাও- ঈশ্বরের বাণী শোন. নিঃশ্বাস ছারো- যা শুনবে তাই মানতে হবে এবং অন্যের সাথে ভাগ করে নিতে হবে.
যিশু বলেছেন ওনার অনুগামীকেও ঈশ্বরের কথা শুনতে হবে কারণ পবিত্র আত্মার জন্য- ওনার নিঃশ্বাস- এবং এই শ্বাস তাকে যে অনুসরন করবে তার মধ্যেই ছড়িয়ে দিতে হবে.
যিশু বলেছেন- সহায়ক, পবিত্র আত্মা, যার কাছে পিতা আমার নাম পাঠাবে, সবকিছু শিখিয়ে দেবে এবং আমি যা যা বলেছি সেটা তোমাদের মনে করিয়ে দেবে.
নিঃশ্বাস নাও- ঈশ্বরের বাণী শোন. নিঃশ্বাস ছারো- যা শুনবে তাই মানতে হবে এবং অন্যের সাথে ভাগ করে নিতে হবে.
যিশু দেখিয়েছেন কিভাবে বাঁচতে হয়.
তাহলে আমরা ঈশ্বরের বাণী শুনব কি করে? কিকরে বুঝব কি মানতে হবে?
যিশু নিজেকে বলতেন "ভালো মেষপালক". যিশু নিজের অনুগামীদের বলেন "মেষ". যিশু বলেছেন- আমার মেষ হলো আমার বাণী, আর আমি তাদের চিনি, তারা আমায় অনুসরন করে. যিশু বলেছেন- যারা হলো ঈশ্বরের দূত তারা ঈশ্বরের কথা শোনেন. আপনি শুনতে পাননা কারণ আপনি ঈশ্বরের দূত না.
যিশুর অনুগামী হিসেবে, আমাদেরকে তার কথা শুনতেই হবে.
- আমরা ওনার আদেশ শুনি চুপ থেকে.
- আমরা ওনার আদেশ শুনি যিশুর বাণী শুনে.
- আমরা ওনার আদেশ শুনি আমাদের চিন্তাভাবনাতে, আমাদের সামনে, আমাদের অনুভূতিতে এবং আমাদের কথাবার্তায়.
- আমরা ওনার বাণী শুনি যখন ওনার শোনা কথা আমরা খাতায় লিখে দি.
সব কথা নয়, সব ধারণা নয়, সব দৃশ্য নয় আমাদের সব অনুভূতি কখনই ঈশ্বরের বাণী হয়না. কখনো কখনো ওটা শত্রুর বাণী হয়.যিশু বলেছেন আমাদের শত্রু হলো মিথ্যেবাদী এবং মিথ্যের পিতা. যিশু বলেন আমাদের শত্রু আসে চুরি করতে মারতে ধ্বংস করতে.
কিন্তু ঈশ্বর বলেন ওনার বাণী শুনে আমরা বুঝে যাবো যে এটা ওনার বাণী অন্যের না. অভ্যেস এবং প্রার্থনার মধ্যে, আমরা ঈশ্বরের বাণী ভালোভাবে বুঝতে পারব. আমরা শিখতে পারব যে যার কথা আমরা শুনছি সেটা ঈশ্বরের বাণী না অন্য কারোর.
এবার কিছু উপায় বলব যা ঈশ্বরের বাণী চিনতে সাহায্য করবে:
- যিশু যখন কথা বলবেন- ওনার বাণী একই থাকবে ঠিক যেমনটা লেখা আছে- বাইবেলে- যা উনি আগেই বলেছেন. বাইবেলে যা লেখা আছে এবং উনি যা বলবেন দুটো কখনই আলাদা হবে না.
- যিশু যখন কথা বলবেন- ওনার বাণী আমাদেরকে একটা আশা এবং শান্তির প্রতিশ্রুতি দেবে. ওনার বাণী কখনই আমাদের হতাশ বা ভিতু বানাবে না. যিশু ভিতু হতে দেন না. যিশু ভালবাসা দিয়ে বোঝান.
- যিশুর ভাষায় রক্ত মাংসের উল্লেখ থাকবে না- দৈহিক অধর্ম এবং কলঙ্ক, অসংযম, পূজা এবং কালোজাদু, ঘৃনা এবং ঝগড়া, হিংসে এবং রাগ, নিজ স্বার্থে চলা, ক্রুদ্ধ বাদানুবাদ, দলাদলি, মদ্যপ এবং চাহিদা কিছুই থাকবে না. এগুলো ঈশ্বরের বাণী হতে পারেনা.
- যিশু যখন বলবেন- ওনার বাণীতে ঈশ্বরের আত্মার মিষ্টতা থাকবে- ভালবাসা এবং আনন্দ, শান্ত এবং ধর্য্য, দয়া এবং সুব্যবহার, বিশ্বাস, সভ্য এবং নিজ নিয়ন্ত্রণ থাকবে.
- যিশু যখন কথা বলেন- ওনার বাণীতে আমরা সন্দেহ নয় আত্মবিশ্বাস পাই. আমরা নিজেদের মধ্যে একটা জ্ঞান শান্তি অনুভব করি এই ভেবে যে যা শুনছি তা আসলে হলো ঈশ্বরের বাণী. সবকিছু হয়ত একবারে নাও শুনতে পারি. আমরা হয়ত ওটুকুই শুনতে পারি যতটুকু আমাদের প্রয়োজন. কিন্তু যতটা শুনব ততটাই কার্যকরী হবে- না তো পাল্টাবে না মুছবে.
যিশুর প্রতিটা অনুগামীর জন্য সুখবর হলো যখন আমরা নিঃশ্বাস নিয়ে ঈশ্বরের বাণী শুনব আর যখন নিঃশ্বাস ছাড়ব তখন তার আদেশ পালন করব, অন্যের সাথে সেটা ভাগ করে নেব- তাতে ঈশ্বর আরো স্পষ্ট করে বলবেন.
ওনার নিঃশ্বাস আমাদের মধ্যে দিয়েই অতিবাহিত হবে.
আমরা ওনার বাণী আরো ভালোভাবে শুনতে পাবো. আমরা ওনার বাণীই শুনব অন্যের নয়. আমরা ওনার কাজ এই পৃথিবীতে দেখব এবং তার সঙ্গে কাজে যোগ দেব.
আমরা নিঃশ্বাস নি. নিঃশ্বাস ছাড়ি.জীবন.
আলোচনা করুন
(10 min)
- ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর শুনতে এবং চিনতে শেখা কেন অপরিহার্য?
- প্রভুর কথা শোনা এবং তার প্রতি সাড়া দেওয়া কি আসলেই শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো? কেনই বা নয়?
READ
(5 min)
এস .ও .এ .পি .এস . বাইবেল পাঠ
যীশু বলেছেন-"যাও সমুদয় জাতীর মানুষকে শিষ্য বানাও আর তাদের পিতা ,পুত্র আর পবিত্র আত্মার নামে বাপ্তিস্ম দান কর."
যদি যিশুর প্রত্যেক অনুগামী যিশুর প্রতিটি আদেশ পালন করতে চায়, তাহলে জানতে হবে যে যীশু কি আদেশ করেছিলেন.
মহান আজ্ঞা ও মহান সাধন হলো ইশ্বর আমাদের যা বলতে চান তার সারকথা, কিন্তু যদি কোনো আজ্ঞাকারী ইশ্বর তাদের যেমন হওয়ার জন্যে সৃষ্টি করেছেন পরিপূর্ণ রূপে তা হতে চায়, তাহলে তাদের জানতে হবে ও আরো বেশিকরে পালন করতে হবে.
এস.ও.এ.পি.এস. এর আক্ষরিক অর্থ হলো
- ধর্মগ্রন্থ
- পর্যবেক্ষণ
- আবেদন
- প্রার্থনা এবং
- ভাগ করে নেওয়া
এ হলো কার্যকরী বাইবেল শিক্ষা পদ্ধতি সহজে শেখা আর মনে রাখার উপায় যা যিশুর যে কোনো শিষ্য ব্যবহার করতে পারে . প্রতিটি বিভাগ বিশদে জানা যাক
যখন বাইবেল পড়েন বা শোনেন :
- ধর্মপুস্তক: আজ আপনার কাছে যে বচন গুলো অর্থপূর্ণ মনে হচ্ছে ,লিখে রাখুন .
- পর্যবেক্ষণ: সেই বচনগুলি বা শাস্ত্রবচনের মূল কথা নিজের ভাষায় লিখে রাখুন আরো ভালোভাবে অর্থ বোঝার জন্যে .
- প্রয়োগ: ভেবে দেখুন আপনার নিজের জীবনে এই আদেশ ও আদর্শ মেনে চলার অর্থ কি .আপনাকে কি করতে হবে ?আপনাকে আলাদা ভাবে কি করতে হবে ?সব লিখে রাখুন.
- প্রার্থনা: এমন একটা প্রার্থনা লিখুন যা ইশ্বর কে বলে আপনি তাঁর বাণীতে কি পড়েছেন আর তাঁর আদেশ পালনের বিষয়ে কি বুঝেছেন এবং কি ভাবে তা করছেন.
- ভাগ: ঈশ্বর কে জিজ্ঞেস করুন আপনি যা শিখেছেন তিনি কার সঙ্গে তা ভাগ করে নিতে বলেন আর কিভাবে তা করছেন.
এবার হাতে কলমে এস.ও.এ.পি.এস. করা যাক :
- ধর্মগ্রন্থ: বাইবেলে বলা হয়েছে - "কারণ সদাপ্রভু কহেন ,আমার সংকল্প সকল ও তোমাদের সংকল্প সকল এক নয়,এবং তোমাদের পথ সকল ও আমার পথ সকল এক নয়." "কারণ ভূতল হইতে আকাশমন্ডল যত উচ্চ, তোমাদের পথ হইতে আমার পথ, ও তোমাদের সঙ্কল্প হইতে আমার সংকল্প তত উচ্চ."
- পর্যবেক্ষণ - মানুষ হিসেবে,আমার জ্ঞান ও কিভাবে করবো সেই জ্ঞান সীমিত. ঈশ্বর কোনো দিকেই সীমিত নন. তিনি সব দেখেন ও জানেন. তিনি সব করতে পারেন.
- আবেদন - যেহেতু ঈশ্বর সব জানেন আর তাঁর পথই শ্রেষ্ঠ, আমি জীবনে অনেক বেশি সফল হবো যদি কাজ করার নিজ্স্ব উপায়ের ওপর ভরসা না করে তাঁকে অনুসরণ করি.
- প্রার্থনা - হে প্রভু, জানিনা কিকরে ভালোভাবে জীবন কাটাতে হয় যা আপনাকে তুষ্ট ও অপরকে সাহায্য করে. নিজোস্ব পথে ভুল হয়ে যায়. আমার চিন্তা কষ্ট দেয়. দয়াকরে আমাকে শেখান আপনার পথ ও চিন্তাধারা.আপনার পবিত্র আত্মা যেন আমাকে পথ দেখান
- ভাগ করে নেওয়া - আমি এই বচন ও প্রয়োগ আমার বন্ধু, Steve এর সঙ্গে ভাগ করে নেব, ও জীবনের এক কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে আর ওকে অনেক মূল্যবান সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে.
এস.ও.এ.পি.এস. বাইবেল অধ্যয়ন. জুম টুলকিট এর অন্যতম সহজ উপকরণ.
কার্যকলাপ
(30 min)
এস.ও.পি.এস বাইবেল অধ্যয়ন
শাস্ত্রঃ
একটি অথবা দুইটি পদ লিখুন যেগুলো আপনার কাছে অর্থবহ, বিশেষ করে আজকে।
পর্যবেক্ষণঃ
সেই পদগুলি অথবা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিজের কথায় লিখুন যেন ভালোভাবে বুঝতে পারেন।
প্রয়োগঃ
সেই আঞ্জাগুলি আপনার জীবনে ব্যবহার করার অর্থ কি সেই বিষয় চিন্তা করুন।
প্রার্থনাঃ
ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে একটি প্রার্থনা লিখুন তাঁকে বলতে আপনি কি শিখেছেন ও কেমন করে তাঁর বাধ্য হবার পরিকল্পনা করছেন।
অন্যকে বলাঃ
ঈশ্বরকে জিঞ্জাসা করুন যে আপনি যা শিখেছেন/প্রয়োগ করেছেন তা কাকে বলবেন।
এখানে একটি উদাহরণ দেওয়া হল যে কেমন করে এস ও এ পি এস কাজ করেঃ
এস - "কারণ সদাপ্রভু কহেন, আমা্র সঙ্কল্প সকল ও তোমাদের সঙ্কল্প সকল এক নয়, এবং তোমাদের পথ সকল ও আমার পথ সকল এক নয়। কারণ ভূতল হইতে আকাশমণ্ডল যত উচ্চ, তোমাদের সঙ্কল্প হইতে আমার সঙ্কল্প তত উচ্চ।" যিশাইয় ৫৫:৮-৯
ও - মানুষ হিসাবে আমি যা জানি এবং আমি যা করতে পারি তার সীমাবদ্ধতা আছে। ঈশ্বর কিছুতেই সীমিত নন। তিনি সবকিছু দেখেন ও জানেন। তিনি যে কোন কিছু করতে পারেন।
এ - যেহেতু ঈশ্বর সবকিছু জানেন এবং তাঁর পদ্ধতি সব থেকে ভালো, আমি জীবনে আরও বেশি সাফল্য লাভ করতে পারি যদি আমি নিজের উপর নির্ভর করে কাজ না করে তাঁকে অনুসরণ করি।
পি - প্রভু আমি জানিনা কেমন করে ভালো জীবন যাপন করব যা তোমাকে সন্তুষ্ট করবে এবং অন্যদের সাহায্য করবে। আমার পথে ভুল হয়। আমার চিন্তা আঘাত করে। পরিবর্তে, দয়া করে তোমার পথ ও চিন্তা আমাকে শিখাও। আমি যখন তোমাকে অনুসরণ করি তখন তোমার পবিত্র আত্মা যেন আমাকে পরিচালনা করেন।
এস - আমি এই পদগুলি ও প্রয়োগগুলি আমার বন্ধু স্টিভের সঙ্গে ভাগ করব, কারণ সে সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে তার সঠিক দিশা প্রয়োজন।
READ
(5 min)
দায়বদ্ধতা দল
যীশু বলেছেন -"সেইকারনে যাকে অনেক দেওয়া হয়েছে, তার কাছ থেকে প্রচুর চাওয়া হবে, আর যার কাছে, অনেক অনেক গচ্ছিত রাখা হয়েছে, তার কাছ থেকে অনেক চ্ছেয়ে নেওয়া হবে."
যীশু দযিত্ব এর বিষয়ে অনেক কাহিনী শুনিয়েছেন আর আমাদের বলেছেন কিভাবে আমাদের কাজ ও কথার দযিত্ব আমাদের নিজেদের.
যীশু এখন আমাদের এ কথা বলছেন যাতে আমরা ভবিষ্যতে তৈরী থাকি. আর যেহেতু একদিন তাঁর কাছে আমাদের হিসেব দিতে হবে তাই একে অপরের প্রতি দযিত্ব পালনের অভ্যেস এখন থেকেই করা ভালো.
জবাবদিহি দল তৈরী করা হয় ২ বা ৩ জনকে নিয়ে আর তারা একি লিঙ্গের মানে - ছেলে - ছেলে, মেয়ে - মেয়ে - যারা সপ্তাহে একদিন দেখা করে আলোচনা করতে, যে কোন কাজগুলো ঠিক হচ্ছে আর কোন ক্ষেত্রে সংশোধন প্রয়োজন.
যীশুর প্রত্যেক অনুগামীকে জবাবদিহি করতে হবে, তাই যীশুর প্রত্যেক অনুগামিকে অন্যের প্রতি দযিত্ব পরায়ন হওয়া অভ্যেস করতে হবে.
জবাবদিহি দল Zume Toolkit এর আরেকটি সহজ উপকরণ.
কার্যকলাপ
(20 min)
বাধ্যবাধকতা পালনের দায়িত্বের দল
- ঈশ্বরকে আপনি কেমন করে কাজ করতে দেখেছেন?
- আপনার কাজ এবং কথার মাধ্যমে আপনি কি এই সপ্তাহে যীশু খ্রীষ্টের মাহাত্ম্যের সাক্ষ্যস্বরূপ হয়েছেন?
- আপনি কাছে প্রলোভন দায়ক যৌন বিষয় কি প্রকাশ পেয়েছে অথবা আপনার মনে কি অনুপযুক্ত যৌন চিন্তা এসেছে?
- আপনি কি আপনার অর্থে ঈশ্বরের অধিকার স্বীকার করেছেন?
- আপনি কি কিছুতে লোভ করেছেন?
- আপনার কথা দ্বারা আপনি কি কারো মর্যাদাহানি অথবা অনুভূতিতে আঘাত করেছেন?
- আপনি কি আপনার কথায়, কাজে অথবা ক্ষতিকারক কিছুতে অশথ হয়েছেন?
- আপনি কি আপনার ব্যবহারে আসক্তি (অথবা অলসতা অথবা নিয়মশৃঙ্খলাবিহীনতা) প্রকাশ করেছেন?
- আপনি কি কাপড়, বন্ধুবান্ধব, কাজ অথবা আমিত্বের ক্রীতদাস হয়েছেন?
- আপনি কি কাউকে ক্ষমা করতে ভুলে গেছেন?
- আপনি কোন চিন্তা অথবা উদ্বেগের সম্মুখীন হয়েছেন?
- আপনি কি অভিযোগ অথবা বচসা করেছেন?
- আপনি কি এক ধন্যবাদের হৃদয় বজায় রেখেছেন?
- আপনার গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কে আপনি কি সম্মান দেখিয়েছেন, সহানুভূতিশীল এবং উদার হয়েছেন?
- চিন্তায়, কথায় ও কাজে আপনি কি পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন এবং কি ভাবে আপনি তাতে সাড়া দিয়েছেন?
- আপনি কি অন্যদের পরিচর্যা অথবা আশীর্বাদ করার সুযোগ নিয়েছেন, বিশেষ করে বিশ্বাসীদের?
- আপনি কি প্রার্থনার নির্দিষ্ট উত্তর দেখেছেন?
পর্যালোচনা
(1 min)
এই সেশনে শোনা ধারণাগুলি:
এই সেশনে শোনা সরঞ্জামগুলি:
- ঈশ্বর সাধারণ মানুষদের ব্যবহার করেন
- শিষ্য এবং মণ্ডলীর সহজ সংজ্ঞা
- আত্মিক শ্বাসপ্রশ্বাস হল ঈশ্বরের কথা শোনা এবং বাধ্য হওয়া
- ভোক্তা এবং উৎপাদনকারীর জীবনধারা
- এস ও এ পি এস বাইবেল পড়া
- বাধ্যবাধকতা পালনের দায়িত্বের দলগুলি
- কীভাবে এক ঘণ্টা প্রার্থনায় কাটাবেন
- সম্বন্ধযুক্ত ধনাধ্যক্ষতা – ১০০ জনের তালিকা
Take a Break
পরিদর্শন
(1 min)
এই অধিবেশনে, আমরা এই ধারণাগুলি শুনব এবং আলোচনা করব:
এবং আমরা আমাদের টুলকিটে এই সরঞ্জামগুলি যুক্ত করব:
- ঈশ্বর সাধারণ মানুষদের ব্যবহার করেন
- শিষ্য এবং মণ্ডলীর সহজ সংজ্ঞা
- আত্মিক শ্বাসপ্রশ্বাস হল ঈশ্বরের কথা শোনা এবং বাধ্য হওয়া
- ভোক্তা এবং উৎপাদনকারীর জীবনধারা
- এস ও এ পি এস বাইবেল পড়া
- বাধ্যবাধকতা পালনের দায়িত্বের দলগুলি
- কীভাবে এক ঘণ্টা প্রার্থনায় কাটাবেন
- সম্বন্ধযুক্ত ধনাধ্যক্ষতা – ১০০ জনের তালিকা
READ
(5 min)
ভোক্তা নয়, উৎপাদক
এই অধ্যায়ে আমরা আলোচনা করব কি করে যিশুর অনুগামিকে আমরা ঈশ্বরের রাজ্যে নিছক ক্রেতা না বানিয়ে উত্পাদক বানাতে পারি.
ওনার নিঁখুত পরিকল্পনায় ঈশ্বর আমাদের বানিয়েছেন ভারসাম্য বজায় রেখে চলতে- উত্পাদন করতে এবং ভোগ করতে, সৃষ্টি করতে এবং ব্যবহার করতে, দান করতে আবার ভরে নিতে যাতে আমরা আবার দান করতে পারি. কিন্তু, আমাদের ভাঙ্গা পৃথিবীতে, মানুষ ঈশ্বরের পরিকল্পনাকে বাতিল করেছে, আর বহু মানুষ জীবন কাটিয়ে দিয়েছে ঈশ্বরের পরিকল্পনাকে দুরে সরিয়ে রেখে. ওরা শেখে কিন্তু শিক্ষা ভাগ করে না. ওদের জ্ঞান প্রচুর কিন্তু সেটা অন্যকে দেয়না. ওরা ভোগ করে কিন্তু উত্পাদন করেনা.
আমরা যদি শিষ্য বানাই যাদের সংখ্যাবৃদ্ধি হবে, তাহলে তাদেরকে আমাদের বোঝাতে হবে কিভাবে তারা উত্পাদক হতে পারে শুধুমাত্র ক্রেতা নয়.
দেখুন কিভাবে--চারটে দিয়ে বিষয়টা বোঝান. ঈশ্বর ওনার লিখিত বাণীর সাহায্য নেন- যেটা আমরা পরে থাকি বাইবেলে - আমাদের আধ্যাত্মিক দিকটা উন্নতি করতে.
প্রতিটা শিষ্যকে এই বাইবেল পরে সেটা নিজেদের জীবনে কাজে লাগাতে হবে. হাজার হাজার বছর ধরে এবং বিভিন্ন লেখকের মাধ্যমে, ঈশ্বর নিজের বাণী শুনিয়েছেন বিশ্বাসী অনুগামীদের যারা সেটা শুনে বাকিদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন. পবিত্র বইতে আছে ঈশ্বরের গল্প, ওনার পরিকল্পা, ওনার মনের ইচ্ছে, ওনার পদ্ধতি.
আগের অধ্যায়ে, আপনি শিখেছেন দুটো সাধারণ উপায়- সোপস বাইবেল পরা এবং একাউন্টেবিলিটি দল. আগামী অধ্যায়ে আমরা আরেক সাধারণ উপায়ের ব্যাপার জানব-৩/৩ দল. এই তিনটে উপায় একসঙ্গে কাজ করে যাতে নতুন অনুগামী শিখতে পারে, এবং ঈশ্বরের বলা বাণী কাজে লাগাতে পারে. ওরা শেখার জন্য শিখবে না ঈশ্বরের বাণী অন্যের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ও শিখবে.
ঈশ্বর নিজের দেওয়া বাণীও ব্যবহার করেছেন- যা আমরা প্রার্থনার মাধ্যমে শুনতে পাই- যাতে আধ্যাত্মিক উন্নতি হয় আমাদের. প্রার্থনা হলো ঈশ্বরের সঙ্গে কথা বলা এবং তার কথা শোনা. প্রার্থনার মাধ্যমে আমরা ঈশ্বরকে আরো ভালোভাবে জানতে পারি এবং তার ইচ্ছে তার বাসনা তার কথা বুঝতে পারি. প্রার্থনা আমাদের অন্যকে সাহায্য করতে সাহায্য করে, আমাদের এমনভাবে শেখাতে সাহায্য করবে যাতে আমরা কোনো ব্যাক্তি বা একদল মানুষকে ঈশ্বরের ইচ্ছেটা বোঝাতে পারি.
দুটো সাধারণ উপায়- হেটে প্রার্থনা এবং প্রার্থনার ঘটনাচক্র অনুগামীদের ব্যেক্তিগত প্রার্থনামূলক জীবন বানিয়ে তুলতে সাহায্য করে এবং অন্যকে সাহায্য করার উপায় বলে দেয়. এইসব উপায় প্রার্থনা করার অভ্যেস বানিয়ে তোলে বিশ্বকে আধ্যাত্মিক চোখ দিয়ে দেখা বন্ধ না করেই পরিবর্তে যা দেখছি সেটাকেই বিশ্বাস করতে শেখায়.
একনাগাড়ে ব্যবহার করলে, এটা যিশুর অনুগামীদের সাহায্য করে নিজেদের প্রার্থনার ক্ষমতা বাড়াতে এবং ঈশ্বরের বাণী ভালোভাবে শুনতে এবং সেটা অন্যের সাথে ভাগ করতে.
ঈশ্বর নিজের অনুগামীদের ব্যবহার করেন- যেটাকে আমরা বলে থাকি গির্জা বা যিশুর অনুগামী- যাতে আমরা আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে উন্নতি করি. অনুগামীদের একত্রিত হওয়া মানেই আমরা একসূত্রে আবদ্ধ. ঈশ্বরের বাণীতে বলা আছে যে যিশুর মধ্যে- আমরা হলাম একই শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ, এবং একে অপরের সঙ্গে যুক্ত. এক কথায়, আমরা শুধুমাত্র ঈশ্বরের সঙ্গেই যুক্ত না- আমরা একে অপরের সঙ্গেও যুক্ত. ঈশ্বর বলেছেন একে অপরের কাছে সমর্পণ করো. একে অপরকে সাহায্য করো. আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে আলাদা ক্ষমতা আছে এবং আলাদা দুর্বলতা. ঈশ্বর চান আমরা আমাদের ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যেন অন্যের দুর্বলতা দূর করি. এবং অন্যরাও যেন আমাদের দুর্বলতা দূর করতে সাহায্য করে এবং যেটা করার ক্ষমতা উনি সবাইকে দিয়েছেন.
ঈশ্বর বলেছেন উনি প্রত্যেককে আলাদা আলাদা ক্ষমতা দিয়েছেন; তাই সেটা একে অপরকে সাহায্যের জন্য ব্যবহার করতে হবে, অন্যের সাথে ঈশ্বরের আশির্বাদ ভাগ করে নিতে হবে. সাধারণ জিনিস যেমন ৩/৩র দল, একাউন্টেবিলিটি দল আর বন্ধুদের ভুল শুধরে দেওয়ার মাধ্যমে আমরা একে অপরকে ভালবাসতে শেখাই এবং ভালো কাজ করতে মানে আমরা যে শুধু ঈশ্বরের আদেশ পালন করছি তাই না সেটা অন্যের সগেও ভাগ করে নিচ্ছি.
ঈশ্বর মৃত্যু এবং কষ্ট ও দেন - বলিদান এবং দুঃখ যা আমরা ভোগ করি যিশুর হয়ে- তা আমাদের মধ্যে আধ্যাত্মিকতা বাড়িয়ে তোলে. যখন মানুষ আমাদের ছোট করে এবং কষ্ট দেয় যেহেতু আমরা যিশুকে মেনে চলি, বা যখন খারাপ কিছু হয় যিশুকে ভালোবেসে তার কথা শুনে চলার পরে, ঈশ্বর সবই দুঃখ কষ্ট কাজে লাগায় আমাদের চরিত্র আরো সুগঠিত করতে এবং নিজেদেরকে যিশুর মত বানিয়ে তুলতে. উনি আমাদের চরিত্র গঠন করেন, আমাদের বিশ্বাসকে আরো দৃঢ় করে তোলেন, চালনা করতে সাহায্য করেন এবং অন্যদের সাহায্য করতে সহায়তা করেন যারা কষ্ট পাচ্ছে- আর এইসবের মাধ্যমেই উনি নিজের রূপটা আরো পরিষ্কার করে তুলে ধরেন যারা আমাদের দেখে যারা আমাদের কষ্ট দেখে তাদের কাছে. ঈশ্বর বলেন যিশুর অনুগামী হিসেবে আমাদের দুঃখ কষ্টের জন্য প্রস্তুত থাকা চাই.
যিশু বলেছেন- ঈশ্বর আশির্বাদ দেবেন যখন অন্যরা অপমান করবে, খারাপ ব্যবহার করবে, এবং যখন বাজে কিছু ভোগ করবে. খুশিতে থাকো আনন্দে থাকো! তাহলে স্বর্গে গিয়ে অনেক বড় পুরস্কার পাবে. মানুষ এই একই আচরণ করেছিল বহু বছর আগে প্রবক্তার সাথে.
সাধারণ উপায় যেমন ৩/৩র দল, একাউন্টেবিলিটি দল যিশুর অনুগামীদের নিজেদের দুঃখ কষ্ট এবং যন্ত্রণা অন্যের সাথে ভাগ করে নিতে সাহায্য করে.
এইসব দল শিষ্যদের শেখায় যে ঈশ্বর বলেছেন আমাদের দুঃখ কষ্টের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ঈশ্বরের ওপর ভরসা রেখে আমাদের সেগুলোর সম্মুখীন হয়ে লড়তে হবে খারাপ সময় এলেও.
বাইবেলের লেখা. প্রার্থনা. শারীরিক জীবন. মৃত্যু এবং কষ্ট. এই সবকিছুর মাধ্যমে ঈশ্বর আমাদের তার যোগ্য পুত্র বানিয়ে তোলেন মানে যিশু.
সাধারণ পদ্ধতি আমাদের শুধুমাত্র ক্রেতা বানিয়ে রাখেনা যা আমরা ঈশ্বরের থেকে পাই এই পদ্ধতি আমাদের সেই পাওয়াটা সবার সঙ্গে ভাগ করতে সাহায্য করে.
আলোচনা করুন
(10 min)
- উপরে বর্ণিত চারটি ক্ষেত্রের মধ্যে (প্রার্থনা, ঈশ্বরের বাক্য ইত্যাদি), আপনি এখন কোনটি অনুশীলন করেচলেছেন ?
- কোনটি সম্পর্কে আপনি অনিশ্চিত বোধ করেন?
- অন্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে আপনি কতটা প্রস্তুত বোধ করেন?
READ
(5 min)
প্রার্থনা চক্র
যীশু প্রায়ই তাঁর শিষ্যদের শিক্ষা দিয়েছেন প্রার্থনার উদ্দেশ্য, অভ্যেস ও অঙ্গীকারের বিষয়ে.
যীশু বলেছেন - "যাঁচা করো, তাহাহিলে তোমাকে দেওয়া যাইবে, খোঁজো, তাহাহিলে তুমি পাইবে, কড়া নাড়, তাহাহিলে তোমার জন্যে দ্বার খোলা হইবে. কারণ যে কেহ যাঁচা করে সে পায়. যে খোজে সে পায়, আর যে কড়া নাড়ে তার জন্যে দরজা খুলে যায়."
যীশু তাঁর অনুগামীদের শিখিয়েছেন যে প্রার্থনার অর্থ, মানুষের প্রসংসা, হর্ষধ্বনি বা করতালির জন্যে বার বার গুরু গম্বীর স্বরে উচ্চারণ করা নয়.
যীশু আমাদের দেখিয়েছেন যে প্রার্থনার ক্ষমতা আছে কারণ তা সরাসরি আমাদের স্বর্গস্থ পিতার সঙ্গে কথোপকথন, যিনি আমাদের ভালবাসেন. যেকোনো ভালো কথোপকথনের মতো, ভালো প্রার্থনা মানেও দু পক্ষই যেন শুনতে ও বলতে পারে কিন্তু এই ব্রমহান্ড সৃষ্টিকর্তা ইশ্বরের সঙ্গে কথা বলতে বেশ ভয় করে. তারপর তাঁর উত্তর শোনা - অনেকের কাছেই খুবই ভীতিজনক মনে হয়.
সুখবর হলো ভালো করে প্রার্থনা করা মানে -ভাল ও গভীর কথোপকথন ঈশ্বরের সঙ্গে যিনি আমাদের ভালবাসেন - শুধু সম্ভবই নয় - ইশ্বরও ঠিক এটাই চান.
কিন্তু যখন প্রার্থনা মনে হয় যেন নতুন ভাষা শেখা -কিকরে আরো ভালো হবেন? উত্তর খুব সোজা -অভ্যেস করুন. প্রার্থনা চক্র, প্রার্থনার অভ্যেস করার একটি সহজ উপকরণ যেটা আপনি নিজে ব্যবহার করতে ও অন্য অনুগামীর সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন.
শুধুমাত্র ১২ টি সহজ ধাপ -প্রতিটি ৫ মিনিটের - প্রার্থনা চক্র আপনাকে বাইবেলে শেখানো ১২ টি প্রার্থনা পদ্ধতি অনুসরণে সাহায্য করে. সব মিলিয়ে, আপনি এক ঘন্টা প্রার্থনা করেন .বাইবেলে আমাদের বলা হয় -"অবিরাম প্রার্থনা করো" আমরা অনেকেই সেটা করতে পারি না. কিন্তু এই এক ঘন্টা প্রার্থনার পর - আপনি আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবেন.
প্রার্থনা চক্র -Zume Toolkit এর আরেকটি সহজ উপকরণ.
কার্যকলাপ
(60 min)
প্রার্থনা চক্র
কেবল মাত্র ১২টি সাধারণ ধাপে - প্রতিটি ৫ মিনিট করে - এই প্রার্থনা চক্র আমাদের বারোটি পদ্ধতি প্রদর্শন করে যা বাইবেল আমাদের শেখায়। সব শেষে, আপনি এক ঘণ্টা প্রার্থনা করে ফেলেছেন।
শংসাঃ সদাপ্রভুর প্রশংসা করে আপনার প্রার্থনার ঘণ্টা শুরু করুন। এখন আপনার মনে যে সমস্ত বিষয় আছে সেগুলি নিয়ে প্রশংসা করুন। প্রশংসা করুন। গত সপ্তাহে একটি বিশেষ বিষয় যা তিনি আপনার জীবনে করেছেন সেটি উল্লেখ করে তাঁর প্রশংসা করুন। আপনার পরিবারে তাঁর মঙ্গলতার জন্য তাঁর প্রশংসা করুন।
অপেক্ষাঃ সদাপ্রভুর সঙ্গে সময় ব্যয় করুন। নিরব থাকুন এবং তাঁকে আপনার প্রতিচ্ছবি একত্র করতে দিন।
পাপ-স্বীকারঃ আপনার জীবন এমন কিছু আছে যা ঈশ্বরকে অসন্তুষ্ট করে সে বিষয়ে পবিত্র আত্মাকে বলুন আপনাকে দেখিয়ে দিতে। যে সকল আচরণ যা অনুচিত, এমন কি কোন নির্দিষ্ট কাজ যে বিষয় আপনি এখনও প্রার্থনায় স্বীকার করেন নি সেগুলিকে তাঁকে দেখিয়ে দিতে অনুরোধ করুন। এখন সেই বিষয় সকল সদাপ্রভুর কাছে স্বীকার করুন যেন আপনি পরিষ্কৃত হতে পারেন।
বাক্য পাঠ করুনঃ গীতসংহিতা, ভাববাদীদের পুস্তক এবং নতুন নিয়মে প্রার্থনা সম্পর্কিত অংশগুলি পড়ে সময় কাটান।
জিঞ্জাসা করুনঃ আপনার হয়ে অনুরোধ করুন।
মধ্যস্থতাঃ অন্যের হয়ে অনুরোধ করুন।
বাক্য প্রার্থনা করুনঃ নির্দিষ্ট অংশ প্রার্থনা করুন। শাস্ত্রীয় প্রার্থনা এমনকি বেশ কিছু গীতসংহিতা আছে যেগুলি এই উদ্দেশ্যে সহায়ক হয়।
ধন্যবাদঃ আপনার জীবনের বিষয়, আপনার পরিবারের হয়ে, এবং মণ্ডলীর হয়ে সদাপ্রভুকে ধন্যবাদ দিন।
গানঃ প্রশংসা অথবা আরাধনা অথবা ধর্মীয় গান।
ধ্যানঃ সদাপ্রভুকে বলুন আপনার সঙ্গে কথা বলতে। কলম ও কাগজ প্রস্তুত রাখুন যেন তিনি যে অনুভূতি দেন তা লিখে নিতে পারেন।
শুনুনঃ আপনি যা পড়েছেন, যে বিষয় প্রার্থনা করেছেন, যে গান গেয়েছেন সেগুলিকে সময় নিয়ে একত্র করুন এবং দেখুন সদাপ্রভু সেগুলি কে্মন করে একসঙ্গে এনে আপনার সঙ্গে কথা বলবেন।
প্রশংসাঃ যে সময়টা আপনি সদাপ্রভুর সঙ্গে কাটিয়েছেন এবং যে বিষয় তিনি আপনাকে জানিয়েছেন তার জন্য তাঁর প্রশংসা করুন। তাঁর ঐশ্বর্যময় গুণাবলির জন্য তাঁর প্রশংসা করুন।
ডিক ইস্টম্যানের বই "দ্য আওয়ার দ্যাট চেঞ্জেস দ্য ওয়ার্ল্ড (C) ২০০২" থেকে, ডিক ইস্টম্যান, চজেন বুকস, গ্র্যান্ড র্যাপিডস, এমআই, অনুমতিক্রমে ব্যবহৃত।
আলোচনা করুন
(10 min)
- এক ঘন্টা প্রার্থনায় কাটানোর প্রতি আপনার প্রতিক্রিয়া কী?
- আপনার কেমন লাগছে?
- আপনি কি কিছু শিখেছেন বা শুনেছেন?
- এই ধরণের প্রার্থনাকে নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করলে জীবন কেমন হত?
READ
(5 min)
১০০ জনের তালিকা
যীশু বলেছেন - "যাও ও শিষ্য বানাও..." আর তাঁর অনুগামীরা ঠিক তাই করে.
তারা নিজেদের পরিবারের কাছে যায়. তাদের বন্ধুদের কাছে যায়. শহরে পরিচিতদের কাছে যায়. যাদের সঙ্গে কাজ করেছে তাদের কাছে যায়. তারা গিয়েছিল.
যীশু বলেছেন, "যাও" আর তারা পালন করে.
আর ঈশ্বরের পরিবার বৃদ্ধি পায়. ঈশ্বর আমাদের সম্পর্ক দিয়েছেন আমাদের কাজ শুধু "যাও ও শিষ্য বানাও." এরা হলো আমাদের পরিবার, বন্ধু, প্রতিবেশী, সহকর্মী আর সহপাঠি - যাদের আমরা সারা জীবন ধরে চিনি, যাদের সঙ্গে সবে আলাপ হয়েছে.
ঈশ্বর ইতিমধ্যে আমাদের জীবনে যাদের দিয়েছেন তাদের প্রতি বিশ্বস্ত থাকা শিষ্য সংখা বৃদ্ধির প্রথম ধাপ. আর এটা শুরু করা যায় তালিকা তৈরীর মত সহজ কাজের মাধ্যমে.
১০০ জনের তালিকা Zume Toolkit এর একটি সহজ উপকরণ যা শিষ্য সংখা বহুগুন করে.
কার্যকলাপ
(30 min)
১০০ জনের নিজস্ব তালিকা তৈরি করুন
আপনার সম্পর্কীয় তত্ত্বাবধানের তালিকা তৈরি করুন: আপনার প্রভাবের পরিধিতে থাকা লোকদের নাম লিখুন। প্রতিটি ব্যক্তি শিষ্য, অবিশ্বাসী, অথবা অজানা কিনা তা চিহ্নিত করুন।
দল হিসেবে সময় নিন যাতে প্রত্যেকে তাদের নিজস্ব তালিকা তৈরি করতে পারে। আপনি কাগজ বা আপনার প্রশিক্ষণ সামগ্রীর ডিজিটাল সরঞ্জামগুলি ব্যবহার করতে পারেন।
পর্যালোচনা
(1 min)
এই সেশনে শোনা ধারণাগুলি:
এই সেশনে শোনা সরঞ্জামগুলি:
- ঈশ্বর সাধারণ মানুষদের ব্যবহার করেন
- শিষ্য এবং মণ্ডলীর সহজ সংজ্ঞা
- আত্মিক শ্বাসপ্রশ্বাস হল ঈশ্বরের কথা শোনা এবং বাধ্য হওয়া
- ভোক্তা এবং উৎপাদনকারীর জীবনধারা
- এস ও এ পি এস বাইবেল পড়া
- বাধ্যবাধকতা পালনের দায়িত্বের দলগুলি
- কীভাবে এক ঘণ্টা প্রার্থনায় কাটাবেন
- সম্বন্ধযুক্ত ধনাধ্যক্ষতা – ১০০ জনের তালিকা