সেশন ১
চেক-ইন
(1 min)
সকল অংশগ্রহণকারী এবং সহায়তাকারীকে চেক-ইন করতে বলুন।
Or six.zume.training/checkin and use code: 3354
প্রার্থনা করুন
(5 min)
প্রার্থনা দিয়ে শুরু করুন। পবিত্র আত্মা ছাড়া আধ্যাত্মিক অন্তর্দৃষ্টি এবং রূপান্তর সম্ভব নয়। এই অধিবেশনে আপনাকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য তাঁকে আমন্ত্রণ জানাতে দলবদ্ধভাবে সময় নিন।
পরিদর্শন
(1 min)
এই অধিবেশনে, আমরা এই ধারণাগুলি শুনব এবং আলোচনা করব:
- ঈশ্বর সাধারণ মানুষদের ব্যবহার করেন
- শিষ্য এবং মণ্ডলীর সহজ সংজ্ঞা
- আত্মিক শ্বাসপ্রশ্বাস হল ঈশ্বরের কথা শোনা এবং বাধ্য হওয়া
READ
(5 min)
ঈশ্বর সাধারণ মানুষকে ব্যবহার করেন
জুমে ট্রেনিংয়ে স্বাগত.জুমে হলো গ্রিক শব্দ মানে ছত্রাক.
যিশু বলেছেন ঈশ্বরের রাজ্য হলো এক মহিলার মতন যিনি অল্প একটু "ছত্রাক" নিয়ে বিশাল পরিমাণ এক ময়দার ডেলার মধ্যে দিয়ে দেন.
এবং যখন উনি ময়দাতে ছত্রাক মেশান ওটা মিশতেই থাকে যতক্ষণ না সম্পূর্ণ ফুলে উঠছে.
যিশু আমাদের দেখিয়েছেন একজন সাধারণ মানুষ ছোট্ট একটা জিনিস নিয়েও বড় এবং কার্যকরী কিছু কাজ করতে পারেন!
আমাদের স্বপ্ন হলো যিশুর আদেশ পালন করা--সারা বিশ্বের সাধারণ মানুষকে ছোট কিছুর সাহায্যে পরমেশ্বরের রাজ্যে বড় কিছু করতে সাহায্য করা!
যিশুর অন্তিম আদেশ ওনার অনুমাগিদের কাছে খুবই সাধারণ ছিল. উনি বলেন--স্বর্গ এবং মর্তের সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব আমায় দেওয়া হয়েছে. তাই--তুমি গিয়া সমুদয় জাতীর মানুষকে শিষ্য বানাও, আর তাদের পিতা, পুত্র এবং পবিত্র আত্মার নামে, বাপ্তিস্ম দান করো. আমার আদেশ ওদের পালন করতে শেখাও আর আমি তোমার সঙ্গে সর্বদা থাকব- এমনকি এই যুগ শেষ অবধি.
যিশুর আদেশ খুবই সহজ ছিল--শিষ্য বানাও.
আর সেটা কিভাবে করবেন সেটার নিয়মাবলীও খুবই সহজ ছিল--যেখানে যাবে সেখানেই শিষ্য বানাও.
- শিষ্য বানাও, আর তাদের পিতা, পুত্র এবং পবিত্র আত্মার নামে, বাপ্তিস্ম দান করো.
- শিষ্য বানানো তাদেরকে আমার প্রতিটা আদেশ ভালোভাবে শিখিয়ে.
তাহলে শিষ্য বানাতে হলে কি কি করবেন?
- আমরা শিষ্য সবসময় বানাই- যেখানে যাই এবং যাওয়া মাত্রই.
- যখন কেউ যিশুর আদেশ পালন করার সিধান্ত নেয়- তার বাপ্তিস্ম নেওয়া উচিত.
- তাদের বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে - আমাদের শিষ্যদের শেখাতে হবে কিভাবে যিশুর আদেশ পালন করে চলতে হয়.
যেহেতু ওনার এক আদেশ ছিল শিষ্য বানাও, তার মানে প্রতিটা শিষ্য যিনি যিশুকে মানেন তার শিষ্য বানানোর কথাটাও মানতে হবে.
সেইসব শিষ্যদের আরো শিষ্য বানাতে হবে. এবং নতুন শিষ্যদের আরো শিষ্য বানাতে হবে.
শিষ্যের সংখ্যাবৃদ্ধি. এইভাবেই জুমে কাজ করে.
এটা ছত্রাকের মতন-ততক্ষণ ময়দা মাখতে থাকুন যতক্ষণ না ওটা ফুলে উঠছে.
যিশু যখন শিষ্য বানানোর আদেশ দেন, উনি তখন এক প্রতিশ্রুতিও দেন.
যিশু বলেন- আমি সবসময় তোমার সাথে থাকব. এই যুগের শেষ অবধি.
যিশুর প্রতিটা অনুগামীর এই প্রতিশ্রুতির ওপর ভরসা করা উচিত যে যিশু আমাদের সঙ্গে সবসময় আছেন. কারণ উনি সত্যি আছেন!
তবে এর আরেক মানে হলো যিশুর প্রতিটা অনুগামীকে এই বাস্তবটা মানতে হবে যে যিশু চান আমরা শিষ্য বানাই. কারণ উনিও এটাই চান.
যিশু বলেছেন- স্বর্গ এবং মর্তে আমায় আধিপত্য আছে. তাই যাও আমার অনুগামী বানাও.
আমাদের যখন যিশু পাঠান যেই অধিকার নিয়ে পাঠান সেটা হলো -ওনার অধিকার.
যিশু বলেছেন তার চেয়ে বেশি কর্তৃত্ব কারোর নেই. কোনো ঐতিয্যের এর বেশি ক্ষমতা নেই.
কোনো সংস্কৃতির এত ক্ষমতা নেই. পৃথিবীর কোনো আইনের এত ক্ষমতা নেই.
যিশু বলেছেন- যাও আমার শিষ্য বানাও.
আর জুমে হলো- ছত্রাকের মতন- আমরা এগিয়ে চলব এবং উন্নতি করব যতক্ষণ না কাজ সম্পূর্ণ হচ্ছে.
আলোচনা করুন
(10 min)
- যীশু যদি তাঁর অনুসারীদের প্রত্যেককে তাঁর মহান আদেশ মেনে চলতে চান, তাহলে কেন আসলে এত কম সংখ্যক শিষ্য তৈরি করে?
READ
(5 min)
শিষ্য এবং গির্জা
জুমে ট্রেনিংয়ে স্বাগত. আর জুমে হলো- ছত্রাকের মতন- আমরা এগিয়ে চলব এবং উন্নতি করব যতক্ষণ না কাজ সম্পূর্ণ হচ্ছে.
শিষ্য আসলে কি?আর কিভাবেই বা বানানো যায়?
কিভাবে যিশুর অনুগামিকে আপনি ওনার আদেশ পালন করতে শেখাবেন? কিভাবে একজন মানুষ যে সারাজীবন পৃথিবীর বন্দীদশায় কাটিয়েছে তাকে ঈশ্বরের রাজত্বে নাগরিক বানিয়ে তুলবেন?
শিষ্য শব্দের মানে হলো অনুগামী. তাহলে একজন শিষ্য হলো ঈশ্বরের অনুগামী. যিশু বলেছেন - স্বর্গ এবং মর্তে কর্তৃত্ব করার ক্ষমতা আমার আছে. তাই ঈশ্বরের রাজত্বে, যিশু হলেন রাজা. আমরা হলাম তার প্রজা, তার ইচ্ছে পালন করেই চলি. ওনার শখ, উদ্দেশ্য, অভিপ্রায়, দাবি এবং মূল্য হলো সবার ওপরে এবং সেরা. ওনার কথাই হলো আইন. তাহলে রাজত্বের নিয়মটা কি? যিশু নিজের প্রজাদের কি করতে বলেছেন?
যিশু বলেছেন-- ঈশ্বরকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসো, আত্মা দিয়ে ভালোবাসো, ধ্যান জ্ঞান বানিয়ে নাও এবং নিজের শক্তি বানাও তাকে. যিশু বলেছেন-- নিজের প্রতিবেশিকে নিজের মতন ভালোবাসো. যিশু বলেছেন পুরোনো নিয়মে ঈশ্বরের আদেশ ছিল--সব নিয়মকানন এবং সব প্রবক্তাকে -দুটো বিভাগে ভাগ করা যায়--ঈশ্বরকে ভালোবাসো এবং মানুষকে ভালোবাসো. যিশু বলেছেন - শিষ্য বানাও. যিশু বলেছেন - আমি যা আদেশ দিয়েছে তা ওদের পালন করতে শেখাও.
যেহেতু শিষ্য বানানোর কাজে আপনাকে যিশুর আদেশও তাকে শেখাতে হবে তাই--নতুন নিয়মে এক কথাতেই বোঝানো যাবে-- শিষ্য বানাও.
শিষ্য হলো যিশুর অনুগামী যে ঈশ্বরকে ভালবাসে, মানুষকে ভালবাসে এবং আরো শিষ্য বানায়.
তাহলে গির্জা কি?
আপনি হয়ত ভাবেন গির্জা মানে হলো একটা বিল্ডিং- একটা স্থান যেখানে আমরা যাই. কিন্তু ঈশ্বরের কাছে গির্জা হলো একত্রিত হওয়ার স্থান- নিজের মানুষদের সাথে.
বাইবেলে গির্জা শব্দটি তিন রকম ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে--
- সর্বজনীন গির্জা -- এতে প্রত্যেকটা মানুষ যারা ছিল আছে এবং আগামী দিনেও যিশুর অনুগামী থাকবে.
- শহুরে বা আঞ্চলিক গির্জা -- যেসব মানুষ যিশুর অনুগামী এবং যারা পৃথিবীর একটা প্রান্তে বাস করে.
- ঘরোয়া গির্জা -- যেসব মানুষ যিশুর অনুগামী এবং একত্রিত হয় যেখানে একাধিক মানুষ বাস করে.
এক আধ্যাত্মিক পরিবার- যিশুর অনুগামী যারা ঈশ্বরকে ভালবাসে, মানুষকে ভালবাসে এবং শিষ্য বানায় এবং যারা একসঙ্গে স্থানীয় একজায়গায় একত্রিত হয় এই শেষ রকমের গির্জা বানাতে- ঘরোয়া গির্জা বা সাধারণ গির্জা.
যখন এরকম ছোট ছোট গির্জা একত্রিত হয়ে বড় কিছু বানায়, একসঙ্গে, তখনই কোনো শহুরে বা আঞ্চলিক গির্জা স্থাপন হয়.
এইসব ছোট ছোট গির্জা একই এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় গড়ে ওঠে এবং বাড়তে বাড়তে সর্বজনীন গির্জার রূপ নেয়.
এবং সেই চার্চের উচ্চারণ হয় বড় হাতের সি দিয়ে.
সাধারণ গির্জা হলো আধ্যাত্মিক পরিবার যাদের কেন্দ্রবিন্দু হলো যিশু তাদের রাজা. সাধারণ গির্জা হলো আধ্যাত্মিক পরিবার যারা ঈশ্বরকে ভালবাসে, অন্যকে ভালবাসে এবং শিষ্য বানিয়ে সংখ্যাবৃদ্ধি করে. কিছু গির্জা বড় বড় বিল্ডিং, প্রোগ্রাম, আর্থিক ব্যবস্থা এবং কর্মী থাকে. কিন্তু সাধারণ গির্জার এসব জিনিসের প্রয়োজন পরেনা ঈশ্বরকে ভালবাসার জন্য, বা অন্যকে ভালবাসতে বা শিষ্যের সংখ্যা বাড়াতে. আর যেহেতু এর চেয়ে বেশি কিছু গির্জাকে জটিল করে তোলে এবং সংখ্যা বাড়াতেও অসুবিধে হয়, তাই আমাদের ট্রেনিং বিল্ডিং, প্রোগ্রাম, আর্থিক ব্যবস্থা এবং কর্মীর ভার ছেড়ে দেয় শহুরে বা আঞ্চলিক গির্জার ওপর যা একাধিক সাধারণ গির্জা জুড়ে স্থাপন হয়েছে.
মনে রাখবেন জুমে মানে হলো ছত্রাক--একটা সহজ, এক কোষের প্রাণী যারা দ্রুত বংশবৃদ্ধি ঘটায়.
জুমে ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে- আমরা সেরকম ছত্রাক হয়ে উঠব- সহজ এবং সংখ্যাবৃদ্ধি করা. কিন্তু সংখ্যাবৃদ্ধি করার আগে - আমাদের জেনে নেওয়া উচিত যে ঈশ্বর কি পুনরুত্পাদন করতে চান. তবে সংখ্যাবৃদ্ধি ভালো হলেও-সবসময় ভালো হয়না. ক্যান্সার বেড়ে চলেছে. এবং এটা মারাত্মক. তাহলে কিভাবে আমরা মৃত্যু না জীবনের উত্পাদন করব? আর কিভাবে আমরা নিশ্চিত হব যে আমরা শিষ্য বানাচ্ছি এবং সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটাচ্ছি?
আলোচনা করুন
(10 min)
- যখন আপনি একটি গির্জার কথা ভাবেন, তখন কী মনে আসে?
- এই ছবিটি এবং ভিডিওতে "সরল গির্জা" হিসাবে যা বর্ণনা করা হয়েছে তার মধ্যে পার্থক্য কী?
- আপনার মনে কোনটি সংখ্যাবৃদ্ধি করা সহজ হবে এবং কেন?
READ
(5 min)
ঈশ্বরের কথা শোনা এবং তার কথা মেনে চলা
জুমে ট্রেনিংয়ে আবার আপনাদের স্বাগত. এই অধ্যায়ে, আমরা কথা বলব ঈশ্বরের আদেশ নিয়ে এবং সেটা পালন করব কি করে.
নিঃশ্বাস নেওয়াটাই জীবন. আমরা শ্বাস নি. শ্বাস ছাড়ি.জীবন.
শ্বাস নেওয়াটাই একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঈশ্বরের রাজত্বে. সত্যি বলতে, ঈশ্বর নিজের আত্মাদের ডাকেন- "শ্বাস বলে."
ওনার রাজত্বে, আমরা শ্বাস নি এবং ঈশ্বরের বাণী শুনতে পাই. আমরা শ্বাস নি যখন ঈশ্বরের নিজ ভাষায় আমরা বাইবেলের কথা শুনতে পাই. আমরা শ্বাস নি যখন প্রার্থনার মাধ্যমে ঈশ্বরের বাণী শুনতে পাই- ওনার সাথে কথাবার্তার মধ্যে. আমরা শ্বাস নি যখন ঈশ্বরের বাণী শুনতে পাই ওনার নিজের সত্ত্বা থেকে- গির্জা, এবং যিশুর অনুগামীদের থেকে. আমরা শ্বাস নি যখন ঈশ্বরের কাজের মধ্যে দিয়ে তাকে শুনতে পাই- অনুষ্ঠান, অভিজ্ঞতা এবং কখনো কখনো হত্যা এবং কষ্টের মধ্যেও. উনি নিজের সন্তানদের এর মধ্যে দিয়ে যেতে দেন.
ওনার রাজ্যে আমরা শ্বাস ছাড়ি যখন আমরা ওনার বাণী মত কাজ করি. নিঃশ্বাস ছাড়ি যখন ওনার আদেশ পালন করি.
কখনো কখনো নিঃশ্বাস ছেড়ে আদেশ পালন করার মানে হলো মতামত অদলবদল করা, আমাদের কথা বা আমাদের কাজের মাধ্যমে এমনকিছু করা যাতে যিশুর ইচ্ছে পূরণ হতে পারে.
কখনো কখনো নিঃশ্বাস ছেড়ে আদেশ পালন করার মানে হলো যিশু আমাদের সঙ্গে কি ভাগ করেছেন- উনি যা দিয়েছেন সেটাই অন্যকে দেওয়া - যাতে অন্যরাও ঈশ্বরের আশির্বাদ পেতে পারে যেমন ভাবে আমরা পাচ্ছি.
যিশুর অনুগামী হিসেবে-এই নিঃশ্বাস নেওয়ার এবং ছাড়াটা খুব জরুরি. এটাই হলো আমাদের জীবন. যিশু বলেছেন- পুত্র একা কিছুই করতে পারেনা. ও সেটাই করে যা ও পিতাকে করতে দেখে. পিতা যা করে, পুত্রও তাই করে.
যিশু বলেছেন- আমি নিজের অধিকারে কথা বলি না. আমায় যে পিতা পাঠিয়েছেন উনি বলে দিয়েছেন কি বলতে হবে আর সেটা কিভাবে বলতে হবে.
যিশু বলেছেন যে প্রতিটা শব্দ উনি বলেছেন এবং প্রতিটা কাজ যা উনি করেছেন তা ঈশ্বরের কথা শুনেই করেছেন এবং শুধুমাত্র তার আদেশ পালন করেছেন.
নিঃশ্বাস নাও- ঈশ্বরের বাণী শোন. নিঃশ্বাস ছারো- যা শুনবে তাই মানতে হবে এবং অন্যের সাথে ভাগ করে নিতে হবে.
যিশু বলেছেন ওনার অনুগামীকেও ঈশ্বরের কথা শুনতে হবে কারণ পবিত্র আত্মার জন্য- ওনার নিঃশ্বাস- এবং এই শ্বাস তাকে যে অনুসরন করবে তার মধ্যেই ছড়িয়ে দিতে হবে.
যিশু বলেছেন- সহায়ক, পবিত্র আত্মা, যার কাছে পিতা আমার নাম পাঠাবে, সবকিছু শিখিয়ে দেবে এবং আমি যা যা বলেছি সেটা তোমাদের মনে করিয়ে দেবে.
নিঃশ্বাস নাও- ঈশ্বরের বাণী শোন. নিঃশ্বাস ছারো- যা শুনবে তাই মানতে হবে এবং অন্যের সাথে ভাগ করে নিতে হবে.
যিশু দেখিয়েছেন কিভাবে বাঁচতে হয়.
তাহলে আমরা ঈশ্বরের বাণী শুনব কি করে? কিকরে বুঝব কি মানতে হবে?
যিশু নিজেকে বলতেন "ভালো মেষপালক". যিশু নিজের অনুগামীদের বলেন "মেষ". যিশু বলেছেন- আমার মেষ হলো আমার বাণী, আর আমি তাদের চিনি, তারা আমায় অনুসরন করে. যিশু বলেছেন- যারা হলো ঈশ্বরের দূত তারা ঈশ্বরের কথা শোনেন. আপনি শুনতে পাননা কারণ আপনি ঈশ্বরের দূত না.
যিশুর অনুগামী হিসেবে, আমাদেরকে তার কথা শুনতেই হবে.
- আমরা ওনার আদেশ শুনি চুপ থেকে.
- আমরা ওনার আদেশ শুনি যিশুর বাণী শুনে.
- আমরা ওনার আদেশ শুনি আমাদের চিন্তাভাবনাতে, আমাদের সামনে, আমাদের অনুভূতিতে এবং আমাদের কথাবার্তায়.
- আমরা ওনার বাণী শুনি যখন ওনার শোনা কথা আমরা খাতায় লিখে দি.
সব কথা নয়, সব ধারণা নয়, সব দৃশ্য নয় আমাদের সব অনুভূতি কখনই ঈশ্বরের বাণী হয়না. কখনো কখনো ওটা শত্রুর বাণী হয়.যিশু বলেছেন আমাদের শত্রু হলো মিথ্যেবাদী এবং মিথ্যের পিতা. যিশু বলেন আমাদের শত্রু আসে চুরি করতে মারতে ধ্বংস করতে.
কিন্তু ঈশ্বর বলেন ওনার বাণী শুনে আমরা বুঝে যাবো যে এটা ওনার বাণী অন্যের না. অভ্যেস এবং প্রার্থনার মধ্যে, আমরা ঈশ্বরের বাণী ভালোভাবে বুঝতে পারব. আমরা শিখতে পারব যে যার কথা আমরা শুনছি সেটা ঈশ্বরের বাণী না অন্য কারোর.
এবার কিছু উপায় বলব যা ঈশ্বরের বাণী চিনতে সাহায্য করবে:
- যিশু যখন কথা বলবেন- ওনার বাণী একই থাকবে ঠিক যেমনটা লেখা আছে- বাইবেলে- যা উনি আগেই বলেছেন. বাইবেলে যা লেখা আছে এবং উনি যা বলবেন দুটো কখনই আলাদা হবে না.
- যিশু যখন কথা বলবেন- ওনার বাণী আমাদেরকে একটা আশা এবং শান্তির প্রতিশ্রুতি দেবে. ওনার বাণী কখনই আমাদের হতাশ বা ভিতু বানাবে না. যিশু ভিতু হতে দেন না. যিশু ভালবাসা দিয়ে বোঝান.
- যিশুর ভাষায় রক্ত মাংসের উল্লেখ থাকবে না- দৈহিক অধর্ম এবং কলঙ্ক, অসংযম, পূজা এবং কালোজাদু, ঘৃনা এবং ঝগড়া, হিংসে এবং রাগ, নিজ স্বার্থে চলা, ক্রুদ্ধ বাদানুবাদ, দলাদলি, মদ্যপ এবং চাহিদা কিছুই থাকবে না. এগুলো ঈশ্বরের বাণী হতে পারেনা.
- যিশু যখন বলবেন- ওনার বাণীতে ঈশ্বরের আত্মার মিষ্টতা থাকবে- ভালবাসা এবং আনন্দ, শান্ত এবং ধর্য্য, দয়া এবং সুব্যবহার, বিশ্বাস, সভ্য এবং নিজ নিয়ন্ত্রণ থাকবে.
- যিশু যখন কথা বলেন- ওনার বাণীতে আমরা সন্দেহ নয় আত্মবিশ্বাস পাই. আমরা নিজেদের মধ্যে একটা জ্ঞান শান্তি অনুভব করি এই ভেবে যে যা শুনছি তা আসলে হলো ঈশ্বরের বাণী. সবকিছু হয়ত একবারে নাও শুনতে পারি. আমরা হয়ত ওটুকুই শুনতে পারি যতটুকু আমাদের প্রয়োজন. কিন্তু যতটা শুনব ততটাই কার্যকরী হবে- না তো পাল্টাবে না মুছবে.
যিশুর প্রতিটা অনুগামীর জন্য সুখবর হলো যখন আমরা নিঃশ্বাস নিয়ে ঈশ্বরের বাণী শুনব আর যখন নিঃশ্বাস ছাড়ব তখন তার আদেশ পালন করব, অন্যের সাথে সেটা ভাগ করে নেব- তাতে ঈশ্বর আরো স্পষ্ট করে বলবেন.
ওনার নিঃশ্বাস আমাদের মধ্যে দিয়েই অতিবাহিত হবে.
আমরা ওনার বাণী আরো ভালোভাবে শুনতে পাবো. আমরা ওনার বাণীই শুনব অন্যের নয়. আমরা ওনার কাজ এই পৃথিবীতে দেখব এবং তার সঙ্গে কাজে যোগ দেব.
আমরা নিঃশ্বাস নি. নিঃশ্বাস ছাড়ি.জীবন.
আলোচনা করুন
(10 min)
- ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর শুনতে এবং চিনতে শেখা কেন অপরিহার্য?
- প্রভুর কথা শোনা এবং তার প্রতি সাড়া দেওয়া কি আসলেই শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো? কেনই বা নয়?
পর্যালোচনা
(1 min)
এই সেশনে শোনা ধারণাগুলি:
- ঈশ্বর সাধারণ মানুষদের ব্যবহার করেন
- শিষ্য এবং মণ্ডলীর সহজ সংজ্ঞা
- আত্মিক শ্বাসপ্রশ্বাস হল ঈশ্বরের কথা শোনা এবং বাধ্য হওয়া
NEXT STEP
আনুগত্য করুন
একজন বন্ধুর সাথে এই সংজ্ঞাগুলি ভাগ করে নেওয়ার অনুশীলন করুন এবং প্রভুর কাছে প্রার্থনা করুন যাতে তিনি আপনার হৃদয় ও আত্মার গভীরে এগুলি গেঁথে দেন। প্রভুর কাছে জিজ্ঞাসা করুন যে তিনি কার সাথে আপনি এগুলি ভাগ করে নেবেন।
ভাগ করুন
প্রভু যার সাথে আপনার উপর প্রভাব ফেলবেন তার সাথে সংজ্ঞাগুলি ভাগ করে নিন। তারপর তাদের অন্য কারো সাথে এটি ভাগ করে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করুন।